জ্যাকপট শব্দটা শুনলেই অনেকের মাথায় আসে — "এটা কি আসলে জেতা যায়?" এই প্রশ্নটা সৎ, এবং উত্তরটাও সৎভাবেই দেওয়া দরকার। হ্যাঁ, জেতা যায় — কিন্তু সব বাজিতে নয়, সবার জন্য নয়। জ্যাকপট মূলত এমন একটি পুরস্কার যেটি সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে এবং একজন ভাগ্যবান খেলোয়াড়ের হাতে যায়। x555-এ এই ব্যবস্থাটা কীভাবে কাজ করে, সেটা বোঝা দরকার।
প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট হলো সবচেয়ে বড় পুরস্কারের ব্যবস্থা। এখানে x555-এ খেলা প্রতিটি মানুষের বাজির একটি ছোট অংশ — সাধারণত ০.৫% থেকে ২% — একটি কেন্দ্রীয় পুলে জমা হতে থাকে। ধরুন এই মুহূর্তে ৮০০ জন মানুষ একসাথে বিভিন্ন প্রগ্রেসিভ স্লট খেলছেন। তাদের প্রতিটি স্পিনের সামান্য অংশ মিলিয়ে যে পুল তৈরি হয়, সেটাই আপনি স্ক্রিনে দেখছেন — সংখ্যাটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে বাড়ছে। যে মুহূর্তে কেউ নির্দিষ্ট সিম্বল কম্বিনেশন পাবেন, পুরো পুল তার হয়ে যাবে।
x555-এর মেগা প্রগ্রেসিভ জ্যাকপটে গত বছরের সর্বোচ্চ পুরস্কার ছিল ৳৬৮ লাখের বেশি। সেই বিজয়ী ময়মনসিংহের একজন ব্যবহারকারী, যিনি ৳২০০ বাজি দিয়ে গেমটিতে প্রথম ঢুকেছিলেন। এই ধরনের গল্প x555-এ নতুন নয়। মূল বিষয়টা হলো — প্রগ্রেসিভ জ্যাকপটে অংশ নেওয়ার জন্য বড় বাজি দরকার হয় না। সর্বনিম্ন ৳৫০ বাজি থেকেই আপনি মেগা পুলের দাবিদার হয়ে যান।
দৈনিক জ্যাকপট ড্র আলাদাভাবে আকর্ষণীয়, কারণ এটা অনেকটা লটারির মতো কাজ করে। সেদিন যেকোনো গেমে ৳১০০ বা তার বেশি বাজি ধরলেই রাত বারোটার ড্রতে আপনার নাম যোগ হয়ে যায়। আলাদা করে কোনো টিকেট কিনতে হয় না, আলাদা কোনো ফর্ম পূরণ করতে হয় না — x555-এর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ করে। ড্রয়ের বিজয়ী রাত বারোটার পরেই ঘোষণা হয় এবং পুরস্কার সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
মাসিক মেগা ড্র-এর ব্যাপারটা আরেকটু ভিন্ন। এখানে মাস জুড়ে টিকেট জমা করতে হয়। প্রতি ৳৫০০ বাজিতে একটি টিকেট পাবেন — তার মানে বেশি খেললে বেশি সুযোগ। মাসের শেষ দিন x555 একটি লাইভ ড্র করে বিজয়ী ঘোষণা করে। এই বছর এপ্রিল মাসের মেগা ড্র-এ বিজয়ী ছিলেন চট্টগ্রামের একজন নিয়মিত খেলোয়াড়, যিনি সেই মাসে মোট ৳৮,০০০ বাজি ধরেছিলেন — অর্থাৎ ১৬টি টিকেট ছিল তার।